
রবিবার, ৩১ জুলাই ২০২২
প্রথম পাতা » খেলাধুলা | প্রিয়দেশ | শিরোনাম | সাবলিড » টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জয়
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জয়
বিবিসি২৪নিউজ,স্পোর্টস ডেস্ক: চলতি ২০২২ সালের ৭ মাস আজ শেষ হতে যাচ্ছে। এই ৭ মাসে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে এই নিয়ে ৭টি। সর্বশেষ জয় গত মার্চে মিরপুরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এরপর আজ তরুণদের নিয়ে গঠিত টি-টোয়েন্টি দল এই ফরম্যাটে বছরের দ্বিতীয় জয় পেল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
সর্বশেষ ১৫ ম্যাচেও এটি দ্বিতীয় জয় বটে! সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ টাইগাররা জিতল ৭ উইকেট এবং ১৫ বল হাতে রেখে। মোসাদ্দেক হোসেনের বিধ্বংসী বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে জয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন লিটন কুমার দাস। এই জয়ে সিরিজে আপাতত ১-১ সমতা। আগামী ২ আগস্ট তৃতীয় ম্যাচে সিরিজ ফয়সলা হবে।
১৩৬ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালোই শুরু করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার লিটন দাস আর মুনিম শাহরিয়ার। আজ লিটন ছিলেন বেশ আগ্রাসী। আর মুনিম শুরু থেকেই নড়বড়ে। প্রথম ম্যাচে মাত্র ৪ রান করা মুনিম আজ আউট হন ৭ রানে। দলীয় ৩৭ রান রিচার্ড এনগারাভার স্লোয়ারে আড়াআড়ি শট খেলতে গিয়ে পুরো মিস করে বোল্ড হয়ে যান। লিটন দাসের সঙ্গী হন এনামুল হক বিজয়। দুজনের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ২৭ বলে ৪১ রান। যাতে সিংহভাগ অবদান লিটনের। ৩০ বলে লিটন তার ক্যারিয়ারের ৬ষ্ঠ ফিফটি তুলে নেন। যখন মনে হচ্ছিল লিটন ম্যাচ শেষ করে ফিরবেন, তখনই সিন উইলিয়ামসনের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান। এভাবে আউট হয়ে লিটন নিজেই একটু সময় হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। ৩৩ বলে ৬ চার ২ ছক্কায় ৫৬ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। তখন দলের স্কোর ৭৮।
এরপর দলীয় ৮১ রানে এনামুল হক বিজয়ও ফিরেন মাত্র ১৬ রান করে। বল খেয়েছেন ১৫টি। সিকান্দার রাজার বলেধরা পড়েন মাসাকাদজার হাতে। এরপর আফিফ আর শান্ত অনেকটাই ধীরগতির ব্যাটিং করছিলেন। টার্গেট ছোট থাকায় তাড়াও ছিল না। ১৩.১ ওভারে একশ ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশের স্কোর। এই দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৪৮ বলে ৫৫* রানের জুটিতেই ৭ উইকেট আর ১৫ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। আফিফ ২৮ বলে ১ চার ১ ছক্কায় ৩০* এবং নাজমুল হোসেন শান্ত ২১ বলে ১৯* রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।
এর আগে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান তোলে। ইনিংসের প্রথম বলেই রেজিস চাকাভাকে (০) অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসবন্দি করেন পার্টটাইমার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত! একই ওভারের শেষ বলে ফেরান ওয়েসলি মাধভেরেকে (৪)। ফিরতি ওভারে তার তৃতীয় শিকার হন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন (১)। ৬ রানে ৩ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। মোসাদ্দেকের ধ্বংসযজ্ঞ তখনো শেষ হয়নি। ইনিংসের ৫ম ওভারে এসে তিনি কট অ্যান্ড বোল্ড করেন সিন উইলিয়ামসকে (১)। এরপর মিল্টন সিমবাকে (৩) ফিরিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট তুলে নেন মোসাদ্দেক।
৩১ রানে ৫ উইকেট হারানো দলকে টেনে তোলেন আগের ম্যাচের নায়ক সিকান্দার রাজা এবং রায়ান বার্ল। ৬ষ্ঠ উইকেটে এই দুজন গড়েন ৬৫ বলে ৮০ রানের দারুণ জুটি। ৪৪ বলে ক্যারিয়ারের পঞ্চম এবং টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন সিকান্দার রাজা। এই জুটির অবসান ঘটে হাসান মাহমুদের বলে ৩২ রান করা রায়ান বার্ল বোল্ড হলে। এরপ ৫৩ বলে ৪ চার ২ ছক্কায় ৬২ রান করা রাজাকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান। আজ মোসাদ্দেকের বোলিং ফিগার- ৪ ওভার, ২০ রান ৫ উইকেট। ১টি করে নিয়েছেন মুস্তাফিজ আর হাসান মাহমুদ।