শিরোনাম:
●   দেশকে বড় রকমের সংস্কার করে নতুন ভাবে গড়তে চাই : সিএনজিকে সাক্ষাৎকারে প্রধান উপদেষ্টা ●   চীন-রাশিয়া নয়, ইউরোপের সমস্যা তারা নিজেরাই: জেডি ভ্যান্স ●   বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক উন্নয়নে রাজনৈতিক সংলাপ হতে যাচ্ছে ●   শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা ●   বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে আয়ারল্যান্ড ●   ইউরোপ-আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে ●   পাপুয়া নিউ গিনির উপকূলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি ●   ঢাকার বায়ু আজ অস্বাস্থ্যকর ●   ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলা-গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার- জাতিসংঘ ●   মোদিকে যে উপহার দিলেন ইউনূস
ঢাকা, রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১

BBC24 News
বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, তোলপাড় প্রশাসন, দায় কার?
প্রথম পাতা » প্রিয়দেশ | বিশেষ প্রতিবেদন | শিরোনাম » প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, তোলপাড় প্রশাসন, দায় কার?
১৬২৮ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, তোলপাড় প্রশাসন, দায় কার?

---বিবিসি২৪নিউজ, এমডি জালালঃ বাংলাদেশে মুজিববর্ষ উপলক্ষে  বহুল আলোচিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে গত জানুয়ারি এবং জুন মাসে এক লাখ ১৮ হাজার ৩৮০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়৷ এরইমধ্যে দেশের কয়েকটি এলাকা থেকে এই ঘরের মান নিয়ে অভিযোগ উঠেছে৷ কোনো কোনো এলাকায় নতুন মাটি ভরাট করে ঘর বানানোর কারণে তা ধসে পড়েছে৷  সরকারের অনিয়ম নিয়ে চলছে তোলপাড়৷ আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে এরইমধ্যে পাঁচজন কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়েছে৷ কাজ করছে তদন্ত কমিটি৷ আরো অনেক কর্মকর্তা শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন৷

আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো সরকারি খাস জমির ওপর তৈরি করা হয়েছে৷ আয়তন ৪০০ বর্গফুট৷ প্রতিটি ঘরে আছে দুইটি কামরা, রান্নাঘর, বারান্দা এবং টয়লেট৷ এছাড়া ১০টি ঘরের জন্য একটি করে গভীর নলকুপ৷ সেমিপাকা এই ঘরগুলোর প্রতিটি তৈরি করতে প্রথম পর্যায়ে খরচ হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা৷ দ্বিতীয় পর্যায়ে খরচ হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় পর্যায়ে দুই লাখ টাকা৷ প্রতিটি পরিবারকে দুই শতাংশ জমিসহ এই ঘর দেয়া হয়৷

কিন্তু ঘর দেয়ার আগে ও পরে নানা ধরনের অনিয়মের খবর প্রকাশ হয়৷ যেমন কুড়িগ্রামের রৌমারীতে হস্তান্তরের আগেই পাঁচটি ঘর ধসে পড়ে৷ গোপালগঞ্জে হস্তান্তরের পর অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে দুইটি ঘর৷ ঘরগুলো বৃষ্টির কারণে বালু সরে গিয়ে ভেঙে পড়ে৷ লালমনিরহাটে ঝড়ো বাতাসে উড়ে গেছে দুইটি ঘর৷ বগুড়ায় দুই দিনের বৃষ্টিতেই একাধিক ঘর ধসে পড়েছে৷ বগুড়ার শেরপুরে কায়রাখালী বাজারের কাছে খালের পাড়ে নির্মিত ঘরগুলো এখন ভাঙ্গনের সম্মুখীন৷ বরগুনার আমতলীতে নির্মিত ঘরের গুণগত মান ঠিক নেই৷ সুনামগঞ্জের শাল্লায় ডিজাইন বহির্ভূত ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন,নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় এই অবস্থা৷ আর এগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনায়ই নির্মাণ করা হয়েছে৷ আবার এইসব ঘর বরাদ্দের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ গৃহহীনদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেন বলে অভিযোগ আছে৷

---প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এপর্যন্ত ২২ জেলার ৩৬ উপজেলায় ঘর তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে৷ আরো অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে ৷ অনিয়মের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে সাবেক ইউএনও (বর্তমানে উপসচিব) শফিকুল ইসলাম, বগুড়ার শেরপুরের সাবেক ইউএনও মো. লিয়াকত আলী শেখ (বর্তমানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক), মুন্সীগঞ্জ সদরের সাবেক ইউএনও রুবায়েত হায়াত, বরগুনার আমতলীর ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান ও মুন্সীগঞ্জ সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ মেজবাহ-উল-সাবেরিনকে ওএসডি করা হয়েছে৷

আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব মাহবুব হোসেন জানান, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে৷ আর যেসব ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে তা মেরামত করে দেয়া হচেছ৷ আর এটা নিয়ে যে অনিয়ম পাওয়া যাচ্ছে তা দুঃখজনক৷ প্রধানমন্ত্রী নিজ উদ্যোগে গরীব মানুষদের এই ঘরগুলো দিয়েছেন৷

তিনি বলেন, ‘‘নির্মাণ সামগ্রী সবখানে একই মানের হয়নি৷ নদীর তীরে অথবা নিচু জমি ভরাট করে তৈরি করা হয়েছে ফলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে৷ এটা তো শুরুতেই দেখা গেছে৷ এইভাবে ঘর বানানো ঠিক হয়নি৷ আমাদের তদন্ত চলমান আছে৷ এব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না৷’’

---এই ঘর নির্মাণে কোনো ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়নি৷ সরাসরি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছে৷ প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সরসরি বাস্তবায়ন করা হয়েছে৷ টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামন মনে করেন,”মনিটরিং ব্যবস্থা ঠিক থাকলে শুরুতেই এই অনিয়ম ঠেকানো যেত৷ ঠিকাদারেরা নন সরাসরি সরকারি কর্মকর্তারা করেছেন বলে এখানে অনিয়ম ও দুর্নীতি আরো বেশি দুঃখজনক৷’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘এই ঘরগুলোর সাথে আবেগ জড়িত৷ মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে গৃহহীনদের ঘরগুলো দেয়া হয়েছে৷ তাই শুধু ওএসডি করে বিষয়টি এড়ানো যাবে না৷ যারা এই অনিয়মের সাথে জড়িতদের আইনে আওতায় আনতে হবে৷ দুদকেরও এটা দেখা উচিত৷”



আর্কাইভ

শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
ইউরোপ-আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে
পাপুয়া নিউ গিনির উপকূলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি
ঢাকার বায়ু আজ অস্বাস্থ্যকর
ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলা-গাজায় প্রতিদিন ১০০ শিশু হতাহতের শিকার- জাতিসংঘ
মোদিকে যে উপহার দিলেন ইউনূস
প্রথম ধাপে ২ লাখ রোহিঙ্গাকে নিতে সম্মত মিয়ানমার
থাইল্যান্ডে নৈশভোজে পাশাপাশি ইউনূস-মোদি
ট্রাম্পের শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘ঝড়ের আভাস’