শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

BBC24 News
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০
প্রথম পাতা » আইন-আদালত | শিরোনাম | সাবলিড » বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ কারাগারে
প্রথম পাতা » আইন-আদালত | শিরোনাম | সাবলিড » বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ কারাগারে
২২৪৭ বার পঠিত
মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ কারাগারে

---বিবিসি২৪নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি আবদুল মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) এ এম জুলফিকার হায়াত আজ মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের আদেশের পরপরই মাজেদকে প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

গতকাল সোমবার রাতে মাজেদকে ঢাকায় গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া ও গণমাধ্যম) মাসুদুর রহমান আজ এই তথ্য জানান।

মাজেদকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ দুপুর ১২টার দিকে সিএমএম আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট।

মাজেদকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক জহুরুল হক আদালতে একটি প্রতিবেদন দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত রাতে রাজধানীর গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের সামনে থেকে রিকশায় করে সন্দেহজনকভাবে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি (মাজেদ)। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হয়। জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি স্বীকার করেন, তাঁর নাম মাজেদ। তিনি বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি।

মাজেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর এখন বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ খুনি পলাতক রয়েছেন। তাঁরা হলেন খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, এ এম রাশেদ চৌধুরী। তাঁরা সবাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

এই পাঁচ খুনি বিভিন্ন দেশে পলাতক অবস্থায় আছেন। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

ফিরে দেখা
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের বিচারে পদে পদে বাধা আসে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরপরই দায়মুক্তি (ইনডেমনিটি) অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর দায়মুক্তি আইন বাতিল করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। ওই বছরের ২ অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর তৎকালীন ঢাকার দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন। নিম্ন আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিল ও মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট দ্বিধাবিভক্ত রায় দেন। ২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেন। এরপর ১২ আসামির মধ্যে প্রথমে চারজন ও পরে এক আসামি আপিল করেন। কিন্তু এরপর ছয় বছর আপিল শুনানি না হওয়ায় আটকে যায় বিচারপ্রক্রিয়া।

দীর্ঘ ছয় বছর পর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে আপিল বিভাগে একজন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার পর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাটি আবার গতি পায়। ২০০৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির লিভ টু আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। আপিলের অনুমতির প্রায় দুই বছর পর ২০০৯ সালের অক্টোবরে শুনানি শুরু হয়। ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পাঁচ আসামির আপিল খারিজ করেন। ফলে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে হাইকোর্টের দেওয়া ১২ খুনির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে। এর মধ্য দিয়ে ১৩ বছর ধরে চলা এই মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হলে দায়মুক্ত হয় বাংলাদেশ।

২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও মুহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ওই রায় কার্যকরের আগেই ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান আসামি আজিজ পাশা।



এ পাতার আরও খবর

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাদ দিয়ে সুস্থ ও সভ্য সমাজ সম্ভব নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাদ দিয়ে সুস্থ ও সভ্য সমাজ সম্ভব নয়: ভারতের সুপ্রিম কোর্ট
পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের ২ মামলা পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের ২ মামলা
গ্রেনেড হামলা তারেক রহমানসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে আপিল, অস্ত্র মামলায় খালাস বাবর গ্রেনেড হামলা তারেক রহমানসহ সব আসামির খালাসের বিরুদ্ধে আপিল, অস্ত্র মামলায় খালাস বাবর
২য় শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা পাবেন প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা:আপিল বিভাগ ২য় শ্রেণির কর্মকর্তার মর্যাদা পাবেন প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা:আপিল বিভাগ
শাপলা চত্বরে গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও ইমরানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা শাপলা চত্বরে গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও ইমরানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
শেখ হাসিনা পরিবারের সম্পত্তি জব্দের আদেশ শেখ হাসিনা পরিবারের সম্পত্তি জব্দের আদেশ
ধর্ষণের শিকার শিশুটির সব ছবি অপসারণ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ ধর্ষণের শিকার শিশুটির সব ছবি অপসারণ করতে হাইকোর্টের নির্দেশ
৪ হাজার ৬১৫ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ৪ হাজার ৬১৫ রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়া খালাস জিয়া চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়া খালাস
২৭তম বিসিএসে ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরতের নির্দেশ ২৭তম বিসিএসে ১১৩৭ জনের চাকরি ফেরতের নির্দেশ

আর্কাইভ

মোদিকে যে উপহার দিলেন ইউনূস
প্রথম ধাপে ২ লাখ রোহিঙ্গাকে নিতে সম্মত মিয়ানমার
থাইল্যান্ডে নৈশভোজে পাশাপাশি ইউনূস-মোদি
ট্রাম্পের শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘ঝড়ের আভাস’
সামুদ্রিক পরিবহনে সহযোগিতা চুক্তি করল বিমসটেক
ট্রাম্পের শুল্কারোপে বিশ্ব নেতাদের প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের
বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ কি প্রভাব পড়বে
মধ্যপ্রাচ্যে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র